নারী জন্ম
নারীর জন্ম হয় পাঁচবার।প্রথম যখন সে মাতৃজঠর থেকে ভুমিষ্ট হয় তখন সে শুধু মাত্র একটা মাটির তাল।যতবয়স বাড়ে তার মধ্যে অবয়ব সৃষ্টি হয়ে থাকে।নারীর দ্বিতীয় জন্ম হলো কন্যা।তাকে যেমন নিজের সম্মানের খেয়াল রখতে হয়,তেমনি খেয়াল রাখতে হয় মা বাবার সম্মানের।প্রতি পদে পদে শঙ্কা এই বুঝি কোনো ভুল হয়ে গেল!কোনটা ভুল, কোনটা ঠিক বুঝতে বুঝতেই কেটে যায় এই জন্ম, পৌঁছায় সে আর এক জন্মে।সেখানে নারী প্রেমিকা।জীবনে প্রেম আসাটা খুবই স্বাভাবিক কিন্তু সমাজ তাকে বুঝিয়ে দেয়, না! প্রেম হলো অন্যায়, এতে সমাজ কলুষিত হয়! প্রেমে পরা নারী সমাজে থাকার অযোগ্য! এই জন্মে নারী শেখে এক নতুন বিদ্যা যা হলো মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া।নারী নিজের থেকে বেশি তার প্রেমিক কে বাঁচাতে বলতে শেখে মিথ্যে বলা,কথা গোপন করতেও শিখে যায়।যে নারী, মা, দিদি বা বোন, প্রিয় বন্ধুকে কোন কথা লুকিয়ে রাখতে পারতোনা, সে নারীই তার একান্ত গোপন কথা একান্তেই রেখে দেয়।সমাজ তাকে শিখিয়ে দেয় সমাজে চলার নিয়ম।প্রাকৃতিক নিয়মেই নারী এগিয়ে যায় জীবনের পথে।নারীর চতুর্থ জন্ম হয়, সে এখন স্ত্রী। সহজাত ধারনায় সে বুঝে যায় তাকে কি করতে হবে।নারী বোঝে তার দায়িত্ব কতোখানি গুরুত্বপূর্ণ। এখন ...